আদালত সম্পর্কে বিচার বিজ্ঞতা এবং ভয়ভীতি পরোক্ষভাবে আদালতের দাড়গোড়ায় তাদের ভোগান্তি বাড়ায়। প্রশ্ন সাধারণত ফৌজদারী বা দেওয়ানী এই দুই প্রকার হয়। জমা জমা বা জমা দেওয়া এবং পদ সংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন দেওয়ানি বলা হয়েছে। দেওয়ানী মামলার বিবেচনা বিচারের ধাপে ধাপ রয়েছে এবং আইনের কিছু নির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। দেওয়ানী মামলা গুরুত্বের পূর্ব শর্ত আরজি গঠন। বাদীর নালিশেরিত বিবরণকে আরজি বলা হয়।
১। একাগ্রতা ও আরজি গ্রহণ:
দেওয়ানী আলোচনা শুরু হয় আরজি গ্রহণের মাধ্যমে। দেওয়ানী মামলা আদালতে তার অনুপ্রেরণায় সেরেদার অবস্থানে সেরে রাখা এবং কোম্পানী সমর্থন গ্রহণকারী আরজিস্তার হিসাবে কর্মক্ষেত্রে তার সাথে যুক্ত অংশীদার বা স্লিপেক কোডিং নম্বর লিখবেন। যেমন- দেওয়ানী প্রশ্ন নং – ১০০/২০১২(এর অর্থ হল ঐ আদালতের ২০১২ ১০০ নম্বর দেওয়ানী প্রশ্ন)।
তারে সেরেদার সাধারণশিটে সামনে তুলে ধরে সিল মোহর লাগিয়ে আর সিলমেন্ট করবে তার কাছে ফেরতস্তান। প্যাকেজ আর দাখিল হতে পারে এরূপ বর্ণের সকল চিঠিপত্রের সাথে সংখ্যা উল্লেখ করতে। সেরেস্তাদার আর-১২ ফাইলিং রেজিষ্টারে (যাকে সুট রেজিষ্টারও বলা হয়) আর অপারেশন বিষয়ক ক্রুনুসারে লিপিবদ্ধ করবেন। সাধারণ যেদিন আর অ্যাপ গ্রহণ করা হয়, তা পোর্টেক্ট হয়।
সেরেস্তাদার আর পরীক্ষা করে আর পরীক্ষা করে আর প্রথম পৃষ্ঠার বাম এর উপরিভাগে ষ্ট্যাম্প পর্যাপ্ত হয়েছে। অপর্যাপ্ত ষ্ট্যাম্প থাকলে তাও উল্লেখ করবেন এবং বাকী ষ্ট্যাম্পের পর ২য় বার তা উল্লেখ করবেন (সি. আর. ও, ভলিউম -১, নিয়ম-৫৫)। ২১ এর মধ্যে বাকী ষ্ট্যাম্প প্রদান করা হয়। এইভাবে একটি দেওয়ানী মামলা প্রশ্ন করা হয়।
২।আর পেপার ফেরত বা প্রত্যাখ্যান:
আর সে ফেরত বা প্রত্যাখান খুঁজে পেতে হবে তারেস্তাদার তা বিচার মনের কাছে উল্লেখ করবেন। বিচার আইন বিধান ব্যাবস্তা গ্রহণ করবেন (সি. আর. ও, ভলিউম-১, নিয়ম-৫৫)। কোন কারণে সঠিকভাবে মূল্যায়ন না করা হলে তা সংশোধনের জন্য পক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
৩।সমন জারী
একটি গ্রুপের পরের সমন্বিত জারি। সমন দু’ভাবে জারি করা হয়। আদালতের জারীকার (পাদাতিকের এবং আদালতের সেরেস্তা) স্থানীয় ডাকযোগে। সমনের সাথে কথার আরলিপি, বদির ফিরিস্তিযুক্ত কাগজের কপি (আর অ্যাপের বিষয়ের সাথে সংগতিপূর্ণ কাগজপত্র যাজির দাকে সমর্থন করে), ওকালতমা, তলবানা (বিবাদীর সমন্বিত জার নাম নিজেকে প্রকাশের ফি) দাখিল করতে হয়।
বিবেচনার সমন্বিত বিকরণ গ্রহণ করা তা জারী হিসাবে গণ্য হবে। আদালতের জারীক (পদাতিক) যখন বিবাদীর সমন জারীর জন্য যাবে তখন সমন্বিত পৃষ্ঠার নোট দু’স্বজন নির্থক এলাকা বা টিপ গ্রহণ করবেন।
সাধারণভাবে সমনবাদীর উপর ব্যক্তিগতভাবে জারি হতে হয়। তার অনুপস্তে তার ব্যবহার তার সক্রিয়তা গ্রহণের উপর সমন জারি হতে হবে। যদি তার কর্মক্ষমতা প্রাপ্ত কোন ব্যক্তি পাওয়া যায় না, তবে তার সদস্য প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ সদস্যের সমন্বিত জারি করতে হবে। সাধারণ ভৃত্য সদস্য হিসাবে গণ্য হবে না। (দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৫, নিয়ম-১২ ও ১৫)।
দেওয়ানী মামলার ধাপ সমূহ pdf
বিবাদী বা তার ব্যবহার সুবিধাপ্রাপ্ত কোন বা তার পরিবারের কোন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ পাওয়া নাও বা সমন গ্রহণ করা না বিবাদীর বাস গৃহের বহির্দ্বারে বা অন্য কোন প্রকাশ্য লটকিয়ে সমন জারী হবে (দেওয়ানী মামলা কার্যবিধি, আদেশ-৫, নিয়ম-১৭)। প্রকাশক জারীকার সমন নোটিশের অপর পৃষ্ঠায় স্বাগত দু’জন নিঃসন্দেহে এলাকা বা টিপ গ্রহণ করবেন।
বিবাদীর সামিক অনুপস্থিত তার বাসগৃহের বাইরের বাইরের সামনের জা সমন লটকরী করা যুক্তিসংগত নয়। যদি ঐ বিবাদীকে তার বাসগৃহে থাকে, তবে পুনরায় তার বাড়িতে সমন জারি করতে হয় (সি. আর. ও, ভলিউম-১, নিয়ম-৭৬)।
জারীকার সমন জারি রিটা ফেরত পরিবর্তন নাজিরপুরসম্ভব দ্রুত এবং বর্ণন্যার ক্রম্যের দু’দিন পূর্বে আশায় ফেরত নেওয়া এবং সি.,ভলিউম-১, নিয়ম ১০৫)।
অপর দিকে ডাকে প্রেরণের পর ডাকারশিদ (একনেলেজমেডিউ) থাকলে এক মাস পর পর পর পর এ. ডি (ডাক সমন) জারি হিসাবে গণ্য হবে।বিবাদী একের অধিক হলে প্রত্যেকের উপর সমন জারি হতে হবে। ভিন্ন ভিন্ন নীতি বিবাদীদের উপর সমন্বিত নেতা নেজারত প্রচারের মাধ্যমে।
৪।জবাব দাখিল
বিবাদী প্রশ্ন ১ম শুনানীর তারিখ বা তৎপূর্বে বা আদালতের সময় দুই মধ্যেলেত আমি দেব-৮ আমি দাখিল করবেন (ওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ, নিয়ম-১)। তা না হলে প্রশ্নটি একতরফা শোনার জন্য শুরু হবে। তবে দেওয়ানী মামলা কার্যবিধির ৮০ ধারার নোটিশ জারি না হলে সরকার দাখিলের জন্য ৩ মাস সময়।
বিবাদী যদি তার দাবীর সমর্থনে কোন দলিলদির উপর ফলাফল করে, তবে তা ফিরিস্তি সহকারে ঐ দলিলদি দাল করবেন।
৫। প্রতিবংহিতা বহির্ভূত শূনানী
১ম শুনানে যদি দেখা যায়, যে দলীর দলীলদের মধ্যে কোন খেলার বিষয় নেই তবে তা অবিলম্বে নিষ্পত্তি করতে হবে। মনে কথা বলার কোন সুযোগ নেই।
ADR
ধারা ৮৯ ক-আপোষ গঠন নিস্পত্তি
৬।ইস্যু গঠন:
প্রশ্ন ১ম শুনানীর তারিখ বা ব্যক্তি দাখিলের মধ্যে যেটি পরে, তা ১৫ এর মধ্যে ইস্যু করতে হবে (দেওয়ানী গঠন কার্যবিধি আদেশ-১৪, নিয়ম-১)। সমস্যা সমাধানের বিষয়বস্তু নিয়ে সমস্যা গঠন করা হবে।
৭।উদঘাটন ও পরিদর্শন
ইস্যু গঠনের ১০-এর মধ্যে বাদি বিবাদী আদালতের অনুমতি নিয়ে অপর পক্ষকে প্রশ্ন দাখিল করতে পারবেন। তবে একটি পক্ষকে একবারেই প্রশ্ন দাখিল করতে পারবেন (দেওয়ানী মামলা কার্যবিধি আদেশ-১১, নিয়ম-৮)
৮।৩০ ধারার তদ্বীর
ইস্যু গঠনের পর দুই পক্ষের কোন তদ্বীর আছে তার জন্য এই পর্যায়টি রাখা হয়।
৯।চূড়ান্ত শুনানীর ডাউন (এস. ডি)
ইস্যু গঠন ১২০
0 Comments